শেষ সময়ে কোটি টাকা বাণিজ্যে চাপা পড়লো জনপ্রিয়তা ও ত্যাগ

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৪৯ পিএম, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার

শেষ সময়ে কোটি টাকা বাণিজ্যে চাপা পড়লো জনপ্রিয়তা ও ত্যাগ

নারায়ণগঞ্জে দুটি আসনে কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতাদের দাবী, শেষ সময়ে দর কষাকষিতে যারা বেশী টাকা দিতে পেরেছে তারাই মনোনয়নের চূড়ান্ত চিঠি পেয়েছে।

বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা নিউজ নারায়ণগঞ্জকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তিনি ৮ ডিসেম্বর সকাল থেকেই গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ছিলেন। সেখানে সকাল থেকেই নারায়ণগঞ্জের দুটি আসন নিয়ে ব্যাপক লেনদেন হতে থাকে। প্রথমে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে দাবী করা হয় কয়েক কোটি টাকা। ওই সময়ে পুরো টাকাটাই চাওয়া হয় নগদ। এ আসনে বিএনপির তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। চিঠিও পেয়েছিলেন ৩জন। তারা হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার ও কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু। কিন্তু শেষতক মনোনয়ন পেছেন কাজী মনিরুজ্জাান।

প্রথম থেকেই নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহ আলমের লড়াই করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে জোট ভিত্তিক আসনের ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় নাটকীয়তা। ৭ ডিসেম্বর দুপুর থেকে চলা অভ্যন্তরীণ নাটকের অবশেষে সমাপ্তি ঘটে শাহ আলমের মনোনয়ন না দেওয়ার মাধ্যমে। জোরালো লবিং আর মোটা অংকের টাকায় করে এই আসনে প্রার্থীতা বাগিয়ে নিল জনপ্রিয়তার তলানীতে থাকা জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশ। লবিং হয় দেশের বাইরের কয়েকটি ইসলামী রাষ্ট্র থেকেও। জোরালো আবেদন আসে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি যেন জমিয়তকে দেওয়া হয়। বিপরীতে শাহআলমও এ প্রস্তাবে হতবিহবল হয়ে উঠে।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও