তৈমূরের ভাগ্নে এবার আওয়ামী লীগে! শামীম ওসমানের পাশে

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৬:৫৮ পিএম, ৪ জানুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার

তৈমূরের ভাগ্নে এবার আওয়ামী লীগে! শামীম ওসমানের পাশে

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকারের ভাগ্নে দেলোয়ার হোসেন কনক এবার আওয়ামী লীগে যোগ দিতে যাচ্ছেন। আর তারই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি ফুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি শামীম ওসমানকে।

সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাইয়ের সাথে শহরের চাষাঢ়ায় রাইফেল ক্লাবে যান দেলোয়ার হোসেন কনক। ওই সময়ে তাঁরা সবাই মিলে শামীম ওসমানকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে গণভবনে গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে আসা দেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শেখ হাসিনা বিএনপির প্রার্থীতা বাছাই প্রসঙ্গে তৈমূর আলম খন্দকারের নাম উচ্চারণ করে নিজের ওই মতামত জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেন, ‘যে বেশি টাকা দিতে পেরেছে সেই মনোনয়ন পেয়েছে এবং এ কারণে তারা তাদের অনেক জয়ী হওয়ার যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। এমন অনেকেই মনোনয়ন পাননি। ‘আমি উদাহরণ দিয়ে দেখাতে পারি, ঢাকার ধামরাইয়ে জিয়াউর রহমান তাদের যোগ্য প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু তিনি মনোনয়ন পাননি। নারায়ণগঞ্জের তৈমূর আলম তিনিও তাদের বিজয়ী প্রার্থী হতে পারতেন। তাঁকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। সিলেটে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো নেতা ইনাম আহমদ চৌধুরীকেও তারা মনোনয়ন দেয়নি।’

জানা গেছে, ২০১৩ সালের কাঁচপুরে জেলা প্রমিকদলের সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম। ওই সম্মেলনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করে দেন মহানগর শ্রমিকদলের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি গোলাম কাদের। ওই মামলার কারণে সম্মেলন করতে পারেনি শ্রমিকদল। মামলায় কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের তৎকালীন সভাপতি সেক্রেটারি ও জয়েন্ট সেক্রেটারি সহ অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে বিবাদী করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৪ সালে মাসদাইর তৈমূর আলম খন্দকারের বাসায় জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের নেতাদের ভোটের মাধ্যমে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি হন নাসিরউদ্দীন ও সেক্রেটারি হন দেলোয়ার হোসেন কনক।

মাসদাইরে একইদিন সম্মেলনে মহানগর শ্রমিক দলে ফারুক হোসেন সভাপতি ও আনোয়ার হোসেন আশিককে সেক্রেটারি করা হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি এসএম আসলামকে আহ্বায়ক ও আলী আজগরকে সদস্য সচিব করে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। অন্যদিকে ২০১৪ সালে সাত খুনের ঘটনায় আনোয়ার হোসেন আশিককে আসামি করা হয়। কিন্তু ওই সময় কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়নি। সকলের পদ দাবি করলেও তার পদটিও তিনি দাবি করতে পারেন। যদিও সাত খুনের মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও

আরো খবর