তৈমূর গিয়াস সমর্থিতরা অবমূল্যায়িত

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৩:৫৩ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০১৯ রবিবার

তৈমূর গিয়াস সমর্থিতরা অবমূল্যায়িত

দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর নারায়গঞ্জ জেলা বিএনপির ২০৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা কিংবা গণমাধ্যমেও বিবৃতি দেয়া হয়নি। তবে সময়ের নারায়ণগঞ্জের কাছে এসেছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাক্ষরতি কমিটি অনুমোদের চিছি। গত ২৩ মার্চ কমিটির অনুমোদন এলেও এখনো জেলা বিএনপি সেটা প্রকাশ করেনি। আর এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে, এই কমিটি নিয়ে সন্তুষ্ট নয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনেকদিন পর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলেও তৃণমূলে কোন উচ্ছ্বাস আর কমিটির কোন প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

বিএনপির একটি ঘনিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির এই কমিটিতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলমের সমর্থিত কোন নেতাকর্মীকে জায়গা দেয়া হয়নি। কমিটিতে একছত্র আধিপত্য রয়েছে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক মাহমুদ ও জেলা বিএনপির সহ সভাপতি পদ থেকে নিজ ইচ্ছায় পদত্যাগকারী নেতা শাহ আলমের। আর এ নিয়ে জেলা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে রয়েছে চরম ক্ষোভ।

দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয় সম্মেলন করে। সেখানে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সভাপতি, কাজী মনিরুজ্জামান সাধারণ সম্পাদক ও মুহাম্মদ শাহআলম হন সহ সভাপতি। এরপর প্রায় ৮ বছরে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সেই কমিটি পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। সেবারের বিএনপি দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে জোড়ালো ভূমিকা ছিল না সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা কাজী মনির ও সহ সভাপতি পদে শাহআলমের। বরং তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেই চলেছেন।

এরপর ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ২৬ জনের আংশিক কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। জেলা বিএনপির সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামানকে সভাপতি ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সাধারণ করে জেলা  বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। তবে তারা আংশিক কমিটিতে থাকাবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনি।

ওই কমিটি ঘোষণার পর প্রায় ২ বছর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ২০৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কিমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু এই কমিটি গঠন করা হয় আংশিক কমিটির পদে থাকা নেতাদের সমর্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে। বাদ দেয়া হয়েছে জেলার অনেক সিনিয়র নেতাকে। কোন কোন নেতা কমিটিতে জায়গা পেলেও তাদেরকে সম্মানজনক পদে রাখা হয়নি। সেই সাথে ত্যাগী নেতাদেরকেও মূল্যায়ণ করা হয়নি।
যার সূত্র ধরে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সিনিয়র নেতা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলমের সমর্থিত কোন নেতাকর্মীদেরকে পদে রাখা হয়নি। কেউ কেউ টিকে গেলেও তাদেরকে পদে রেখে অসম্মান করার মতো অবস্থায় রেখেছেন।

নেতাকর্মীদের সূত্র বলছে, নারায়গঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বাদ পরে গেছেন দলের ত্যাগী নেতারা। যারা কঠিন সময়েও দলের আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন তারা কমিটির বাইরেই রয়ে গেছেন। জেলা বিএনপির কমিটি হয়েছে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ ও পদত্যাগকারী নেতা শাহ আলমের অনুগতদের নিয়ে। পদ পেয়েছেন তারাই যারা তাদের ঠিকমতো তাদের পদলেহন করতে পেরেছেন। ফলে কমিটি হয়েছে পকেট কমিটি। দলের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সাথে কোন রকম আলোচনা না করেই সভাপতিদের ইচ্ছামতোই তালিকা করে কেন্দ্রে জমা দিয়েছেন। আর সেই তালিকা অনুযায়ীই পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা হয়েছে।
প্রসঙ্গত আংশিক কমিটির দুই বছর পর পূর্ণাঙ্গ হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি। সভাপতি সেক্রেটারী সহ ২০৫ জনের ওই কমিটির তালিকায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষর করেন গত ২৩ মার্চ। তবে গত ১৫ দিনেও এই কমিটিকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি দলটি। পদত্যাগ এবং মৃত্যু হওয়ায় কয়েক জনের নাম বাদ দিয়ে বাকিদের নিয়ে এই কমিটি করা হয় যেখানে ৮৫ জনকে সাংগঠনিক পদ এবং নির্বাহী সদস্য করা হয় ১২০ জন নেতাকে। সভাপতি এবং সেক্রেটারীসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ করা ছাড়া তেমন কাউকে বাদ দেয়া হয়নি। এই কমিটিতে সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান এবং সেক্রেটারী করা হয়েছে অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে।
স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে সহ-সভাপতি ১৫ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৫জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ৩ জনসহ বিভিন্ন সম্পাদক পদ ৩৯ জনকে দেয়া হয়েছে। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ৩জন, সহ-দপ্তর সম্পাদক ২ জন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ৩জনসহ মোট ৩০ জন সহ-সম্পাদক করা হয়েছে।

সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সহ-সভাপতি খন্দকার আবুল জাফর, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো: সামসুজ্জামান. এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, আজহারুল ইসলাম মান্নান, আবদুল হাই রাজু, মনিরুল ইসলাম রবি, ব্যরিস্টার পারভেজ আহমেদ, মো: লৎফর রহমান আব্দু, মো: নাছির উদ্দিন, মো: হাসান আলী, মজিবর রহমান ভূইয়া, মাহমুদুর রহমান সুমন, নজরুল ইসলাম টিটু, খন্দকার হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান খোকা, এম এ আকবর, মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন, মো: শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মো: বাছির উদ্দিন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, নজরুল ইসলাম পান্না, মাশুকুল ইসলাম রাজীব, দফতর সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবুল, প্রচার সম্পাদক রিয়াদ মো: চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জিএম মোশারফ হোসেন, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা: নুরন নাহার বেগম, যুব বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক রিপন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান রনি, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো: শাহ আলম, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সায়েম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো: মোশারফ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো: কামরুজ্জামান মাসুম, প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো: সফিকুর রহমান মিলন, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন অনু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক লৎফর রহমান বেনু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো: মনিরুজ্জামান ভূইয়া দিপু, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান সম্পাদক মো: সালাউদ্দিন মোল্লা, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সেলিম হক রুমি, শিশু বিষয়ক সম্পাদক মো: সাখাওয়াত হোসেন, ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক মো: সালাউদ্দিন আহমেদ, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় সম্পাদক মো: মোমেন খান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: জাকির হোসেন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শরিফ আহমেদ টুটুল, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো: সামছুদ্দিন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাদিম হাসান মিঠু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মোল্লা, তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মো: মজিবর রহমান, মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক আলী আহম্মদ লালা, সহ-কোষাধ্যক্ষ কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জল হোসেন, এডভোকেট মাহমুদুল হাসান খোকা, মো: রুহুল আমিন, সহ-দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান, মো: বোরহান বেপারী, সহ-প্রচার সম্পাদক বাকির হোসেন, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন ইমন, সহ-মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ মাষ্টার, সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো: হুমায়ূন কবির রফিক, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম জাকির, এডভোকেট মাহমুদুল হক আলমগীর, এডভোকেট আব্দুর রহিম, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রহিমা শরীফ মায়া, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক একরামুল করিম মামুন, জুয়েল আহমেদ, সহ-সেচ্চাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মো: মজিবুর রহমান, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সজিব, সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মন্টু মেম্বার, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন, মাওলানা মো: জাকারিয়া, সহ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো: ওমর আলী, সহ-প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোমিনুল রহমান, সহ-তর্থ ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো: মোশারফ হোসেন, সহ-প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক মো: নরুল হক, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: কবির প্রধান, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নুর হাসান বাবুল, সহ-স্বাস্থ্য ও পরিবার ক্যালণ সম্পাদক মো: কবির হোসেন, সহ-তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মজিবর রহমান মোল্লা, সহ-মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক মো: গিয়াস উদ্দিন প্রধান, নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে অধ্যাপক রেজাউল করিম, মো: গিয়াস উদ্দিন, নজরুল ইসলাম আজাদ, আতাউর রহমান আঙ্গুর, মোস্তাফিজুর রহমান দিপু, নুরজাহান মাহবুব, কামাল হোসেন, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমান, এডভোকেট আজিজুল হক হান্টু, সেফালী রানী, অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: নাসির উদ্দিন, মো: শাহজাহান মেম্বর, মজিদ খান, এডভোকেট আলামিন সিদ্দিকী, এডভোকেট মোজাম্মেল মল্লিক শিপলু, মো: বজলুর রহমান, সিরাজুল হক ভূইয়া, এম এ হালিম জুয়েল, মো:আল মুজাহিদ মল্লিক, মাজহারুল হক ময়ূর, মো: ইউসুল আলী ভূইয়া, মো: আক্তার উদ্দিন, মকবুল হোসেন, আলাউদ্দিন বারী, গাজী হারুন, শাহআলম মুকুল, আবুল কাশেম বাবু, মোতালেব মিয়া, গাজী সমসুর রহমান মন্টু, সুমন আকবর, তাইজুল ইসলাম সরকার, উকিল উদ্দিন ভূইয়া, হাবিবুর রহমান হাবু, বাবুল প্রধান, তৈয়ব হোসেন, দেওয়ান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আফজাল হোসেন, মো: কামাল হোসেন, মো: সামসুদ্দিন, খন্দকার জানে আলম, মো: ওয়াজেদ শরিফ মোল্লা, কমিশনার মো: কামরুজ্জামান, মো: আলী আজগর, এডভোকেট কামাল হোসেন, এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, গাজী মাসুদ, এডভোকেট মোশারফ হোসেন, এডভোকেট মামুন মাহমুদ, মো: ফতেহ ইসলাম, মো: রেজাউল করিম, মজিবুর রহমান, হামিদুল হক খাঁন, শরিফ আহমদ, মো: শহীদুল্লাহ ভূইয়া, আব্দুল মতিন, এডভোকেট গোলজার হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, মো: ওসমান গনি, হাবিবুর রহমান বাবুল, মো: হুমায়ূন কবির, মো: জাকির হোসেন রিপন, হারুন মিয়াজী, এম এ হালিম, আব্দুল জলিল, করিম হাজী, রমিজ উদ্দিন ভূইয়া, মনির হোসেন, মো: শাহ আলম পাপ্পু, আরমানুজ্জামান, এডভোকেট রেজাউল হক, সেলিম, আবুল হোসেন, আবু তাহের মোল্লা, আব্বাস উদ্দিন বাবুল, রফিকুল ইসলাম বিডিআর, নাসির উদ্দিন জাহান সাগর, মোসলেহা কামাল, লেয়াকত ইসলাম লেকু, হারুন মাষ্টার, মোস্তফা কামাল, জাহাঙ্গীর আলম, মো: সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান, গাজী মনির হোসেন, মিরাজুল ইসলাম নয়ন মোল্লা, সামাদ খান, এডভোকেট শাহ আলম মানিক, দেলাওয়ার হোসেন, পারভিন আক্তার, শাহনাজ বেগম, কাজী ফৌজিয়া ইয়াসমিন পপি, ইমতিয়াজ ওয়াহিদ বকুল, আলী আজগর, মো: রমজান সরকার, মনিরুজ্জামান, জাহাঙ্গীর হোসেন, ওসমান মেম্বার, মজিদ ভূইয়া, রজ্জব আলী ফকির, কবির হোসেন, মোস্তফা কামাল, জাহাঙ্গীর মোল্লা, রেজাউল করিম মেম্বার, জয়নাল মেম্বার, আরাফাত আলম জিতু, শাহনুর বেগম, রফিকুল ইসলাম নয়ন, সাদিকুর রহমান সাদেক, সালমা আক্তার, মহিলা কাউন্সিলর আয়শা আক্তার দিনা, পেয়ারা বেগম, হাওয়া বেগম, লুৎফা বেগম, আসমা বেগম, ফারজানা ইয়াসমিন রুমি, আজমিরি আক্তার মালা।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও