ভিপি বাদলের হুশিয়ার সাবধান

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:৩১ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০ শনিবার

ভিপি বাদলের হুশিয়ার সাবধান

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোঃ শহিদ বাদল বলেছেন, তৎকালীন সময়ে তোলারাম কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ঝাঁপিয়ে পরেছিল নির্বাচন করেছিলো তখন ভিপি বাদলকে প্রয়োজন ছিলো। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ছাত্রলীগের ইতিহাস বাঙালীর ইতিহাস আমি সেই ছাত্রলীগের সংগঠনের লোক। যারা পত্রিকার মাধ্যমে অপব্যাখ্যা করতে চান তাদেরকে বলতে চাই আপনারা কেন আসেন। বিবেকে বাধে না। আপনাদের কি হাত কাঁপে না। বিভিন্ন জেলা থেকে অনেকেই নারায়ণগঞ্জে এসেছিলেন। নারায়ণগঞ্জ সবার। এই মাটি পবিত্র মাটি। এইমাটিকে অপবিত্র হতে দিব না। যারা লেখনির মাধ্যমে লেখালেখি করেন তারা সাবধান হয়ে যান হুশিয়ার হয়ে যান। ছাগলের ৩টা বাচ্চা ২ টা খাইয়া লাফায় একটা না খাইয়া লাফায়। সুতরাং আপনারা লাফাইয়েন না। আপনারা কি আমার নেতা শামীম ওসমানের বিজয়ের কথা শুনেন নাই।

১০ জুলাই শুক্রবার বিকেলে বন্দরের দড়ি সোনাকান্দায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, ত্রাণ বিতরণ, ও মহামারী করোনা ভাইরাসে শহিদদের স্মরণে ও করোনা থেকে মুক্তির জন্য দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাকান্দা ইউনিয়ন আওয়াামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রবীণ আওয়াামী লীগের নেতা বশির উদ্দিন আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার হাতেম হোসাইন, মোঃ আলমগীর হোসেন, ডাক্তার শফিউল্ল¬াহ, মোহাম্মদ হোসেন নূর, কামরুজ্জামান, সিদ্দিকী বাবু, সাব্বির আহমেদ মাসুদ, খালেক, শাহাদাত হোসেন, রোমান হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, রবি মিয়াজী জুয়েল হোসেন, আলমগীর হোসেন সহ প্রমুখ। এছাড়াও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইকবাল, মুন্না, সুমন, মারুফ, চান্দু, আলম,লিটন, জামান, রহমান, মানিক, রব্বানী, সোহেল ও জুয়েল সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত সবশেষ বাদলের একটি বক্তব্য নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ফরাজিকান্দা গুডলাক ক্লাবের আয়োজনে গত ২৯ জুন বৃক্ষরোপণ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আর এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক পর্যায়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল বলেন, ‘বন্দরে আওয়ামী লীগের কোনো এমপি নেই। বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রশিদ ভাই বন্দরের এমপি।’

আর এর জবাব দিতে গিয়ে সেলিম ওসমানও বাদলকে ছাড় দিয়ে কথা বলেননি। গত ২ জুলাই দুপুরে শহরের খানপুর এলাকায় ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি সেলিম ওসমান বলেন, ‘আজকে একটি পত্রিকায় দেখলাম আমার ছবি সহ একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বন্দরের একটি ঘটনায়। তিনি চাষাঢ়া রেলওয়ে হেড কোয়ার্টারে থাকতেন। একজন এমপি সাহেবের আশীর্বাদে ওনি বলে এখন লেতা (নেতা)। ওনি নাকি এখন লেতা। এ লেতা বন্দরে গিয়ে বললো, ‘সেলিম ওসমান বন্দরের এমপি না। বন্দরের উপজেলা চেয়ারম্যান বন্দরের এমপি। প্রশ্ন থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে, এমপি সিট বদলায় দিতে পারে এটি কি করে সম্ভব হতে পারে। দুই দিনের যোগি না ভাতেরে অন্য বইলেন না। আমরা দেশটা স্বাধীন করেছি। আমরা মুক্তিযোদ্ধা। হাজার বার বলি সেলিম ওসমানের থাবা বাঘের চেয়েও ভয়ংকর। বাঘের চেয়েও ভয়ংকর সেলিম ওসমানের থাবা।’

তিনি বলেন, মতলব থেকে থেকে এসে নেতা হয়েছেন। ধানমন্ডিতে অট্টালিকা করেছেন। দুই নাম্বার স্কুল বানিয়েছেন। কত টাকার মালিক হয়েছেন সেলিম ওসমান দেখিয়ে দিবে। দেখবো আপনি আমাকে সরাতে পারেন কি না। ওনাকে আবার মতলব ফিরে যেতে হবে। আপনি আওয়ামী লীগ করেন যাই করেন সেটা দেখার বিষয় না।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও