নারায়ণগঞ্জে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা

সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:২৬ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৮ বুধবার



নারায়ণগঞ্জে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা

আল্লাহর কাছে প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে ও হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মতো বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের ইসদাইর এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের উত্তর পাশে একে এম সামছুজ্জোহা স্টেডিয়াম এবং দক্ষিণ পাশে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সমন্বয়ে এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন নগরীর চাষাঢ়া নূর মসজিদের খতিব মো. আব্দুস সালাম।

নামাজের শেষে খতিব মো. আব্দুস সালাম দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। এসময় গুনাহ মাফের জন্য দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, একেএম সামছুজ্জোহা স্টেডিয়াম, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে ঈদের জামাতে অংশ নিতে সকাল ৭টা থেকে আসতে শুরু করে মুসল্লিরা। প্রথমে ঈদগাহ মাঠ ভরে গেলে সামছুজ্জোহা স্টেডিয়ামে জামাজের কাতারে দাঁড়িয়ে যায় মুসল্লিরা। স্টেডিয়ামও পূর্ণ হয়ে গেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাত সড়কের দাঁড়িয়ে জামাতে অংশ নেয় মুসল্লিরা।

প্রথমবারের মতো বৃহৎ এ জামাতে অংশ নেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রেজাউল বারী, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদা হায়দার খান কাজল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, আদালতের নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেলদৌস জুয়েল, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, গ্রীণ ফর পিসের নির্বাহী পরিচালক আরিফ মিহির সহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা।

প্রসঙ্গত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের তত্ত্বাবধানে ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবারই স্টেডিয়াম ও ঈদগাহে এক সঙ্গে নামাজের জামাতের আয়োজন করা হয়। ফলে এখানে এক সঙ্গে কয়েক হাজার মানুষ নামাজ আদায় করেন।

এ বৃহৎ জামাতকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত শৃংখলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি,র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী শুধু মাত্র জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এছাড়াও প্রত্যের তল্লাশীর জন্য ছিল অত্যাধুনিক সব মেশিন। ফলে ৯টায় জামাত শেষে শান্তিপূর্ণ ভাবে ফিরে যায় মুসল্লিরা।


বিভাগ : ধর্ম


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও