বন্দর বাজার জামে মসজিদের ইমাম জাকির কাসেমীর অপসারণ দাবি

বন্দর করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৬:০১ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার



বন্দর বাজার জামে মসজিদের ইমাম জাকির কাসেমীর অপসারণ দাবি

বন্দর বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জাকির হোসেন কাসেমির বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে কটাক্ষ করা, মনগড়া উস্কানীমূলক সাংঘর্ষিক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বন্দর বাজার জামে মসজিদের ইমামের বিরুদ্বে মহল্লার শতাধিক সাধারণ মুসল্লীরা সংঘাতের আশংকায় ১৬ নভেম্বর শুক্রবার বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বন্দর প্রেসক্লাব, স্থানীয় কাউন্সিলের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে।

মুসল্লীদের পক্ষে মো: মাহবুর রহমান বাদল সাংবাদিকদের বলেন, আমারা মসজিদ কমিটির কাছে একাধিকবার এ সকল ঘটনার প্রতিকার চেয়েও কোন সুরাহ না হওয়ায় আজ আপনাদের দ্বারস্থ হলাম। গত ৩ অক্টোবর মসজিদে এক নামাজীকে চড় থাপ্পর ও কান ধরে বের করে দেয়ার হুমকি, মসজিদ কমিটির ডাক্তারকে হাতুড়ে ডাক্তার আখ্যা, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেয়ার ঘটনায় মসজিদ কামাটি শালিস করেন। শালিসে মাওলানা জাকির হোসেন কাসেমীর অন্যায় ও অশালীন আচরণ প্রমানিত হওয়ায় ইমামের পক্ষ থেকে কমিটির লোকজন মুসল্লীদের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চায়।

গত ৯ নভেম্বর জুম্মার বয়ানে আবারও কোরআন হাসিদের বাহিরে মনগড়া উস্কানিমূলক, ইতিহাস বিকৃতিমূলক, শিক্ষক ছাত্রদের কটাক্ষ আলিয়া মাদ্রাসার বিরুদ্ধে হেয় করে কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জেনারেল শিক্ষিত লোকের কাছে দ্বীন নিরাপদ নয়, তাদের দ্বারা দ্বীন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কওমী আলেম ও মাদ্রাসা না থাকলে দ্বীনের কোন চিহ্নই থাকতো না। এ ছাড়াও বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারনে মুসল্লীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কাজী হাবিবুর রহমান হাবিব অবিলম্বে জাকির হোসেন কাসেমীর অপসারন দাবি করে বলেন, তিনি এ মসজিদে থাকলে মুসল্লীদের মাঝে সংঘর্ষ বাধার আশংকা রয়েছে। গত ১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরের এক মসজিদে তাকে বিশৃংখলা সৃষ্টি করায় তাকে চড় থাপ্পড় মেরে ঘাড় ধরে বের করে দেয়। তার বিরুদ্বে মাল্টিপারপাস ব্যবসা নিয়ে এবং বিভিন্ন মাহফিলে কটাক্ষ ও উস্কানীমূলক বক্তব্যের কারণে বন্দর থানায় একাধিক মামলা ও ডায়েরী রয়েছে।


বিভাগ : ধর্ম


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও