নারায়ণগঞ্জে রেকর্ড ভেঙ্গে বড় হচ্ছে ঈদ জামাতের মাঠ

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৩৮ পিএম, ৮ আগস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার

নারায়ণগঞ্জে রেকর্ড ভেঙ্গে বড় হচ্ছে ঈদ জামাতের মাঠ

গত বছরে ঈদ উল আযহায় নারায়ণগঞ্জে বৃহত্তম ঈদ জামাতের ঘোষণা দেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান। সেই ঘোষণায় গত বছরের ঈদ উল আজহা ও সবশেষ ঈদ উল ফিতরের বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হয় নারায়ণগঞ্জে। তবে এবার সেই দুটি জমায়েতের আয়তনের রেকর্ড ভাঙা হচ্ছে। আরো বড় পরিসরে আয়োজন হতে যাচ্ছে ঈদের জামাত।

চিরাচরিত বাঁশ, কাঠের তৈরী স্টেজের পরিবর্তে গত ঈদ উল ফিতরে পবিত্র মদিনার আদলে আধুনিক প্রযুক্তিতে তাবু তৈরীর কাজ করা হয়েছিল। এবারও তৈরী হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির তাবু যা একই সাথে অধিক মজবুত ও স্বল্প সময়ে তৈরী করা যায়। তবে গত ঈদের তুলনায় এবার আরো অধিক সংখ্যক মানুষের নামাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যে কারণে আগেরবার ৪টি তাবু সাটানো হলেও এবার সেখানে স্থাপন করা হচ্ছে আরো বড় আকারের ৬টি তাবু। যার বিশালাকৃতির দুইটি ও মাঝারি আকারের দুইটি মোট চারটি তাবু থাকবে সামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে।

অপর দুইটি স্থাপন করা হবে সামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে। তবে গত বারের মত এবারও সব থেকে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বৃষ্টি। গত ঈদের তুলনায় এবার বুষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় ভোগান্তি আরো বেশি হতে পারে।

৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায় গত ইদুল ফিতরের তুলনায় এবার মাঠে সাটানো তাবুর আকার করা হয়েছে আরো বড়। যে কারণে এবার মাঠ তৈরীতে কাজ করছে তিনটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া আলোকসজ্জা, সাজসজ্জার জন্য কাজ করছে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শতাধিক কর্মী নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে মাঠ তৈরীর জন্য। তাবুর মূল কাঠামো তৈরী শেষে এখন চলছে মূল কাঠামোতে ত্রিপল টাঙানোর কাজ। এখনো পর্যন্ত মোট কাজের প্রায় ৭০ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে অবশিষ্ট ৩০ ভাগ কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হবে বলে জানিয়েছে কর্মরত শ্রমিকেরা।

গেইট ও মিম্বর তৈরীর দায়িত্ব পাওয়া ‘প্লাটফর্ম’ এর মালিক মো. মিন্টু নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, বৃষ্টির জন্য কাজে দেরি হচ্ছে। বাইরে কেনাকাটা করতে পারছি না। ভেতরেও কর্মীরা কাজ করতে পারছে না। যে কারণে কাজে কিছুটা দেরি হচ্ছে। গত বারের তুলনায় মাঠের আকার বড় তাই এবার আরো অধিক মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়তে পারবে।

কাজের মূল দায়িত্বে থাকা স্টার ইভেন্ট লজিস্টিক এর কর্মী আল আমিন নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ৩তারিখ থেকে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি। ৭০ভাগ কাজ শেষ হযেছে। কিন্তু ৩০ ভাগ কাজ করতে অনেক বেগ পেতে হবে। কারণ বৃষ্টির কারণে মাঠে পানি উঠেছে। এই অবস্থাতে মাটিতে কার্পেট বিছানো যাবে না। পানি পরিষ্কার করে কাঁদা শুকিয়ে কার্পেট বিছাতে হবে। তাই সময় বেশি লাগতে পারে।

মোতালেব ডেকোরেটর এর কর্মী মো. রাসেল নিউজ নারায়ণগগঞ্জকে বলেন, গত বারের তুলনায় মাঠ বড়। তাই স্টার ইভেন্ট লজিস্টিক আমাদেরকে নিয়োগ দিয়েছে। বড় কাজ হওয়ায় মাঠ তৈরীর কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যাতে সব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। এখনো পর্যন্ত সব ঠিক ভাবে হচ্ছে। আশা করি সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে।


বিভাগ : ধর্ম


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও