উকিলপাড়া পূজায় আকর্ষণে সুউচ্চ ফটক, আলোকসজ্জা ও অশুর ‘বল্লালদেব’

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:২০ পিএম, ৪ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার

উকিলপাড়া পূজায় আকর্ষণে সুউচ্চ ফটক, আলোকসজ্জা ও অশুর ‘বল্লালদেব’

হোসিয়ারী পল্লীখ্যাত শহরের উকিলপাড়া এলাকার প্রধান আকর্ষণ শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের উপর বিশালাকারের সুউচ্চ গেইট। এছাড়া উকিলপাড়া প্রবেশ পথের সড়কে মনোমুগ্ধকর আলোকসজ্জা যা দৃষ্টি আকর্ষণ করে দূরদূরান্তের দর্শনার্থীদের। এবছর পূজার মোট ব্যয়ের বেশিভাগ অংশ ব্যায় করা হয় সুউচ্চ গেইট নির্মাণে। গেইটের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ লাখ টাকা। সুউচ্চ গেইটে মন্দিরের দুর্গা পূজার সকল দেবদেবীর প্রকাশ করতে চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উকিলপাড়া দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা।

৪ অক্টোবর শুক্রবার সকালে সরেজমিনে উকিলপাড়া দুর্গাপূজা মন্ডপে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিমা বসানো শেষ। মন্ডপটি ককশিট দিয়ে বিভিন্ন কারুকাজ করা হয়েছে। দেবী এবার ঘোটকে আসলেও প্রতিমায় বিশাল বড় একটি হাতের উপরে দেবী দুর্গার আসন করা হয়েছে।

এর সঙ্গে আছে ভারতের আলোচিত মুভি বাহুবলির প্রধান ভিলেন বল্লালদেব ওরফে রানার মতো অশুর তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমায় পোশাক ও সাজসজ্জায়ও আনা হয়েছে আধুনিকতা। মল্ডপের ভেতরে অন্য দেবদেবীর ছবিও টানানো হয়েছে। এছাড়াও মণ্ডপের বাইরে বঙ্গবন্ধু সড়ক থেকে রেললাইন পর্যন্ত রাস্তায় বাহাররি আলোকসজ্জাও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিন্টেমও। এসব দেখতে সকাল থেকেই মণ্ডপের সামনে দর্শনার্থীদের ভীড় দেখা গেছে।

কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব চন্দ্র সরকার মনু নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এবছর পূজার ব্যায় ঠিক করা হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। যা গতবছরের তুলনায় ৫ লাখ টাকা বেশি। গেইট ছাড়া মণ্ডপের ভিতরের কারুকাজে ও প্রতিমা তৈরিতে বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে।

পূজা মণ্ডপে নিত্য নতুন কিছু দেওয়ার জন্য মণ্ডপে কর্কশিটের উপর নিক্ষুদ কারুকাজসহ বিভিন্ন রঙয়ের ব্যবহার করা হয়েছে। আর এসব কাজের জন্য দেশীয় চারুকারু শিল্পীদের সাথে ভারতের শিল্পীও আছে। গত ১ মাস যাবৎ তারা দিনরাত কাজ করতে হয়েছে মণ্ডপের ভিতরের সাজসজ্জার জন্য। আমাদের পূজামণ্ডপের জায়গা কম থাকার কারণে আমাদের প্রধান দৃষ্টি দেয়া হয় মায়ের প্রতিমা এবং গেইটে।

আমাদের পূজা মন্ডেপের জায়গা অনেক কম। অনেক কারুকাজ করতে চাইলেও করতে পারি না। প্রতিবছরের মতো এই বছরও সরকারী অনুদান পেয়েছি। নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনে পক্ষ থেকে বলা হয়েছে রাস্তার পাশে কোন দোকান বসতে না দিতে ও রেললাইনে আলোকসজ্জা করতে। দর্শনাথীদের সাহায্য সহযোগিতা করতে ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে।

তিনি আরো বলেন, মা সকলের জন্য আনন্দ নিয়ে আসেন। পৃথিবী থেকে অপরাধের বিনাশ করে থাকেন।


বিভাগ : ধর্ম


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও