পরিবার নিয়ে একান্তে ৩৬তম বিবাহ বার্ষিকীতে সেলিম ওসমান দম্পতি

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১১:২২ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার

পরিবার নিয়ে একান্তে ৩৬তম বিবাহ বার্ষিকীতে সেলিম ওসমান দম্পতি

ইতোপূর্বে বিভিন্ন বক্তব্যে নিজের প্রেম ও পরিণয়ের কথা বলেছিলেন নারায়ণগঞ্জের এমপি সেলিম ওসমান যিনি একই সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতা। প্রেমের গল্প বলতে গিয়ে কখনো আবেগ তাড়িত দেখা গেছে তাঁকে। সেই সেলিম ওসমানের প্রেমের বিয়ের ৩৬ বছর পূর্ণ হলো ২৫ সেপ্টেম্বর। আর এদিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে একটু অন্যভাবেই পালন করলো বিবাহবার্ষিকী। চিরসাথীকে পাশে রেখে মেয়ে, মেয়ে জামাতা ও নাতিদের সঙ্গে রেখেই বিবাহ বার্ষিকীর কেক কাটা হলো।

সেলিম ওসমানের ফেসবুক পেইজ ‘সেলিম ওসমান সাপোর্টাস’ ফোরামে থাইল্যান্ডের সময়ে ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় প্রথম প্রহরে কেক কাটার সেই ছবি আপলোড করা হয়েছে।

সেখানে সেলিম ওসমান ও স্ত্রী নাসরিন ওসমানের পাশাপাশি তিন মেয়ে, দুই মেয়ের জামাতা ও ৫ নাতি নাতনিকে দেখা গেছে।

আজ থেকে ঠিক ৩৬ বছর আগের এই দিনটিতেই সাংসদ সেলিম ওসমান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সহধর্মিনী নাসরিন ওসমানের সাথে। ব্যাংককের এক রেস্তরাঁয় পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দঘন এক পরিবেশে বিবাহের ৩৬ বর্ষপূর্তি পালন করলেন সাংসদ।’

প্রসঙ্গত ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলন থেকে মহান ভাষা আন্দোলন, ১১ দফা, ৬ দফা সহ স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ও প্রতিষ্ঠিত পাট ব্যবসায়ী খ্যাত ওসমান পরিবারের সন্তান একেএম সেলিম ওসমান। দাদা খান সাহেব ওসমান আলী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার এমএলএ। বাবা ভাষা সৈনিক একেএম শামসুজ্জোহা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর। ভাষা আন্দোলন, ১১ দফা, ৬ দফা, আন্দোলোনে অন্যতম সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭০ সালে গণপরিষদ ও স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত। ছাত্র থাকা অবস্থায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন সেলিম ওসমান। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে স্বপরিবারের হত্যার পর বাবা সামসুজ্জোহা গ্রেপ্তার হন এবং তাকেও ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে বঙ্গবন্ধুর খুনী চক্র। খুনিদের অত্যাচার আর লুটপাটে যখন সম্পূর্ন ওসমান পরিবার প্রায় সর্বশান্ত তখন নিজে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যাত্রা ত্যাগ করে সংসারের হাত ধরেন। বাবা জেলে, বড় ভাই নাসিম ওসমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ নিতে সশস্ত্র বিপ্লবে যোগ দেন কাদের বাহিনীতে। তখন সংসাদের দায়িত্ব নিতে গিয়ে সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জ থেকে চৌমহনী পর্যন্ত বাস চালিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের ৫নং ঘাট এলাকায় মাছ বিক্রি করেছেন। কালীরবাজার ও ঢাকা বাইতুল মোকারম মসজিদের সামনে ফেরি করে মুরগী বিক্রি করেছেন। শহরের উকিলপাড়া এলাকায় হোসিয়ারীতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে সেলিম ওসমান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর একজন পরিচালক। এছাড়া তিনি বিকেএমইএ এর সভাপতি।



নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও