ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে ধুলোর ছড়াছড়ি

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:২১ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে ধুলোর ছড়াছড়ি

নারায়ণগঞ্জ শহরের যত অভ্যন্তরীন খেলাধুলা ও যত আয়োজন তার অধিকাংশ হয়ে থাকে ফতুল্লার ইসদাইরে অবস্থিত ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে। অসংখ্য খেলোয়ার এই মাঠে খেলা শিখে জাতীয় দলে খেলেছে। এখনো অসংখ্য খেলোয়ার প্রতিদিন এখানে আসে খেলা শিখতে। তবে শুস্ক মৌসুমে ধুলোয় ছড়াছড়ির কারণে খেলাধুলায় মনযোগ করতে পারছেন না তারা। ধুলোর কারণে নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

বৃহস্পতিবার ২৪ জানুয়ারি বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেডিয়ামে কুয়াশার মত ভসছে ধূলিকণা। মাঠের অধিকাংশ জায়গায় থেকে উঠে গেছে ঘাস। বিভিন্ন জায়গায় আলগা মাটি বেরিয়ে আছে। ফলে ফুটবলে লাথি দিলেই বলের সাথে উড়ছে ধুলোবালি। এক দিক দিয়ে পানি দিচ্ছেন মাট পরিচর্যা কর্মীরা। কিন্তু সাথে সাথেই তা ভ্যানিস হয়ে যাচ্ছে। কারণ মাঠে পানি ধরে রাখার মত ঘাস নেই। এতে সমস্যায় পরতে হচ্ছে খেলা শিখতে আসা প্রশিক্ষনার্থীদের। সেই সাথে তাঁরা আক্রান্ত হচ্ছে নানান রোগ ব্যাধিতে।

নারায়ণগঞ্জ শহরে খেলাধুুলার জন্য স্টেডিয়াম রয়েছে মাত্র দুটি। একটি খান সাহেব ওসমান আলী ও অপরটি ওসমানী পৌর স্টেডিয়াম। খান সাহেব ওসমান আলী আন্তর্জাতিক ভেন্যু হওয়ায় এখানে সকলে প্রবেশের বা খেলাধুলার সুযোগ পান না। কিন্তু খান সাহেব ওসমান আলী পৌর স্টেডিয়াম সকলের জন্য উন্মুক্ত। তাই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সারাদিন চলতে থাকে খেলা। এছাড়া অসংখ্য খেলোয়ার ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা শিখতে ছুটে আসে এই স্টেডিয়ামে। কিন্তু স্টেডিয়ামটি পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষনের জন্য বেহাল অবস্থায় চলে যাচ্ছে।

ধুলাবালির কারণে প্রসঙ্গে মাঠ রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বে থাকা আবুল কালাম নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, প্রতি বছর রমজান মাসে মাঠে ঘাস লাগাই। কিন্তু গত বছর লাগানো হয় নাই। তাই মাঠে এখন ঘাস একেবারেই নাই। ধুলার মূল কারণ মাঠে ঘাস নাই। ঘাস থাকলে এত ধুলা থাকতো না।

এসময় তিনি আরো বলেন, সারাদিন খেলা চলতেই থাকে। এছাড়া সব সময় মাঠে পানি দেওয়া হয় না। সপ্তাহে দুই তিনদিন পানি দেই। পানি দেওয়ারও ব্যবস্থা নাই। একটা পাম্প আছে ওইটা দিয়াই সারা মাঠ পানি দিতে হয়। বার বার এক জায়গা থেকে খুলে অন্য জায়গায় লাগায়ে পানি দিতে হয়।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন কোচ নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, মাঠে এখন প্রচর চাপ পরে। আগে নিচের মাঠে (সামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স) একদল খেলতো আরেক দল এই মাঠে। কিন্তু এখন সব দল এই মাঠেই খেলে। আবার সেই পরিমাণ পরিচর্যাও করা হয় না। তাই মাঠের এই ভয়াবহ অবস্থা।

এ প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ ফুটবল একাডেমির কোচ খলিলুর রহমান বাদল নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, মাঠটা ঠিক করার জন্য একটু নজর দেওয়া প্রয়োজন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এই মাঠ নিয়ে একটা প্ল্যান করেছেন। যদি দুটি বছর মাঠের দিকে সময় দেন তাহলে শুধু মাঠ না আমরা সুন্দর একটা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পাবো।

তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তনভীর আহমেদ টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।


বিভাগ : খেলাধুলা


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও